জেলা প্রশাসন, লক্ষ্মীপুর

হেলথ কার্ড

লক্ষ্মীপুর জেলা

সর্বশেষ তথ্য
হেলথ কার্ড সিস্টেমে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের সেবাসমূহ পেতে ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে আপনার যেকোনো মূল্যবান মতামত দয়া করে ‘মতামত’ ফর্মটিতে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও মতামত সহ লিপিবদ্ধ করে সাবমিট করুন। ধন্যবাদ।
Sheikh-Mujibur-Rahman

প্রেক্ষাপট

মোঃ আনোয়ার হোছাইন আকন্দ

(জেলা প্রশাসক, লক্ষ্মীপুর)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সূদুরপ্রসারী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, ২০১৫ সালে বাংলাদেশের এমডিজি বাস্তবায়নে অসামান্য সফলতা এনে দিয়েছে। এসডিজি-২০৩০ বাস্তবায়নের পথেও বাংলাদেশ সঠিকপথে ক্রম অগ্রসরমান। এছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর মত দূরদর্শী পরিকল্পনা নিয়েও বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা চলমান। এসকল পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজন পরিকল্পিত জনসম্পদে তৈরি করা। আজকের শিশু আগামীদিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে। তাই তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মান উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।

জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা সহ জেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য বিভাগের সমন্বয়ে আমরা একটি ব্যতীক্রমধর্মী, সৃজনশীল ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আপনারা ইতিমধ্যে অবগত আছেন আমরা প্রতি ইউনিয়নে মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছি, স্বল্প মূল্যে ও দ্রুত গতিতে মানুষের দোরগোড়ায় জরুরি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে। এছাড়াও সকল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল হেল্থ কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছি। এই স্কুল হেল্থ কার্ড আমাদের আগামীর লক্ষ্মীপুর সহ সমগ্র বাংলাদেশকে যারা উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে, তাদের যোগ্য ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এই অ্যাপটিতে হেল্থ কার্ড এর সকল তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের গবেষণা উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করবে। সর্বোপরি, সরকারের এসডিজি ২০৩০ এর গোল-৩ এর বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করবে। লক্ষ্মীপুরের সকল সরকারি কর্মকর্তা সহ সকলশ্রেণী পেশার মানুষকে আহবান জানাই, আসুন, আমরা সকলে মিলে একযোগে কাজ করি। গড়ে তুলি সম্ভাবনাময় আগামীর লক্ষ্মীপুর ও উন্নত আগামীর বাংলাদেশ। স্কুল হেল্থ কার্ড এবং এই অ্যাপ নিঃসন্দেহে এ অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

মেঘনার ভাঙ্গন উপদ্রুত, ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের জনপদ লক্ষ্মীপুরের ছাত্র-ছাত্রী তথা শিশু-কিশোররাও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে অনেক ভাবে বঞ্চিত। গুণগত শিক্ষা আর স্বাস্থ্য সেবার সুযোগও যথেষ্ট নয়। এই জনপদের এ সকল সদস্যদের স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, লক্ষ্মীপুরের পরিকল্পিত ও যুগোপযোগী উদ্যোগ ০৪ (চার) লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে “স্কুল হেল্থ কার্ড” বিতরণ। এই স্কুল হেল্থ কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত (প্রতি বছরে এক বার) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রাপ্ত সমস্যা সমূহ সমাধানের মাধ্যমে সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরির পথ সুগম হবে। এই সুস্থ প্রজন্মই আগামী দিনের লক্ষ্মীপুরের চালিকা শক্তি হিসেবে লক্ষ্মীপুরের তথা সমগ্র দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। সুস্থ সবল ছাত্র-ছাত্রীরা উন্নত শিক্ষা গ্রহণে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভিত্তি দিবে আগামী দিনের ভিশন-২০৪০ বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর। এই স্কুল হেল্থ কার্ডের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের ১০ বছর ব্যাপী প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে- উচ্চতা, ওজন, পাল্স, সাধারণ সংক্রমন, নাক-কান-গলা পরীক্ষা, চক্ষু পরীক্ষাসহ সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনে রেফারেল উপদেশ। রেফারেল এর সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তদারকির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধান। এ লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার বৃন্দ ও অন্যান্য কর্মচারী বৃন্দ, জেলার সকল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৃন্দ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বৃন্দ।


Sheikh-Mujibur-Rahman

বঙ্গমাতাকে জানুন

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব

(৮ আগস্ট ১৯৩০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেনু। তার পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। ১৯৩৮ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তার বিয়ে হয়। লেখাপড়ার শুরুটা পরিবার এবং গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ালেখা করলেও পরবর্তীতে ঘরে থেকেই পড়াশোনা চালিয়ে যান।


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ পর্যায়ে প্রেরণাদায়ী হিসেবে সর্বদা ছায়ার মতো বঙ্গবন্ধুর আজীবনের সহযোগিতায় ছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। শেখ মুজিবুর রহমানের জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যে নারীর, তিনি তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও তিনি জীবনভর বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সংসারের দায়িত্ব তিনি একাই সামলে নিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু নিশ্চিন্তে মন দিয়েছেন দেশের কাজে । বঙ্গমাতা ছিলেন মনে প্রাণে একজন আদর্শ নারী ,বিচক্ষণ উপদেষ্টা ও পরামর্শকারী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার উৎস।

নেতাকর্মীদের রোগে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, কারাগারে অন্তরীণ কর্মীদের খোঁজ নেওয়া ও পরিবার-পরিজনদের সংকটে পাশে দাঁড়ানো ছিল তাঁর রুটিন ওয়ার্ক। বিভিন্ন আন্দোলনের সময় পার্টির কাজকর্মে বা আন্দোলনে খরচের টাকাও যোগাতেন তিনি এবং অনেক সময় বাজার হাট বন্ধ করে অথবা নিজের গায়ের গহনা বিক্রি করেও সংগঠনের জন্য অর্থের যোগান দিতেন।

১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার এবং দুর্ভিক্ষের সময় বঙ্গবন্ধু যখন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বিভিন্নভাবে মানুষের সেবা করেছেন, তার সাথে একই রকম মনোভাব নিয়ে সার্বক্ষণিক সমর্থন দিয়ে গেছেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠন করতে রাস্তায় নেমে লিফলেট বিতরণ করেছেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। এসময় তিনি নিজের গহনা বিক্রি করে সংগঠনের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটিয়েছেন। ৭ জুন ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ও আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে ধর্মঘট সফলভাবে পালনে বেগম মুজিবের ভূমিকা ছিল অন্যতম। বঙ্গবন্ধু ও আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে সারা দেশে এই ধর্মঘট যাতে পালিত হয় এবং চলমান আন্দোলনের সফলতার জন্য তিনি নিরলস কাজ করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করার কাজে তার অবদান অপরিসীম। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়িয়ে সংগঠনকে সংগঠিত করতেন, ছাত্রদের নির্দেশ দিতেন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতেন। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে পদে পদে তিনি আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে গেছেন। প্রকাশ্যে প্রচারে কখনোই আসেননি।

বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক কারণে প্রায়ই কারাগারে থাকলেও সেই দুঃসহ সময়ে বঙ্গমাতা হিমালয়ের মতো অবিচল থেকে একদিকে স্বামীর কারামুক্তিসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, অন্যদিকে সংসার, সন্তানদের লালন-পালন, শিক্ষাদান, বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা এবং মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মুচলেকা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে আইয়ুবের দরবারে যাওয়ার জন্য যখন প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তখন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মুচলেকা না দিয়ে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য বন্দি স্বামীকে চিরকুট পাঠিয়েছিলেন এবং যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।তিনি বলেছিলেন প্যারোলে মুচলেকা দিয়ে আইয়ুবের দরবারে যেতে পারেন; কিন্তু জীবনে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আসবেন না।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও ছিল তার সঠিক দিক নির্দেশনা। আন্দোলনের উত্তাল সময়গুলোতে নিজ বাড়িতে পরম মমতায় নির্যাতিত নেতা-কর্মী, আত্মীয় স্বজনদের আপ্যায়ন করতেন, সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনে ব্যবস্থা নিতেন। বীরাঙ্গনাদের উদ্দেশে বঙ্গমাতা বলেছিলেন, ‘আমি তোমাদের মা।’ অনেক বীরাঙ্গনাকে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন জীবনদান করেন তিনি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন অবিচল আস্থা, পরমসহিষ্ণু, দৃঢ়চেতা ও অসীম মনোবলের অধিকারী মনোবলের অধিকারী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুই সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল রণাঙ্গনে যুদ্ধরত। বঙ্গমাতা তার তিন সন্তান শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা ও শেখ রাসেলসহ গৃহবন্দী,সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। এমনই এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে তিনি একটুও মনোবল হারাননি।’

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে সম্ভ্রম হারানো আত্মত্যাগী, লাঞ্চিত মা-বোনদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ ব্যক্তিগতভাবে তাদের পাশে দাঁড়ান এবং সামাজিকভাবে তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের একজন সাহসী নারী। দুর্বার সাহসে ইতিহাসের ক্রান্তিলগ্নে দিয়েছিলেন দূরদর্শী চিন্তার বার্তা। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ ফেলার সাহসী বার্তা তাকে ইতিহাসে করেছে অমর মহিয়সী নারী। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য পরম আশ্রয়স্থল ছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। নিঃসন্দেহে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ সমতার ইতিহাসে তিনি আমাদের অনুকরণীয়।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ যখন ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কাল রাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ঘাতকদের নির্মম বুলেটের আঘাতে শাহাদাত বরণ করেন।


বাঙালি জাতির ইতিহাসে ক্ষণজন্মা এই মহিয়সী নারী, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর এবং বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের সহযোদ্ধা। তিনি ছিলেন অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বং সহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী। আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান।বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।


নারীদের প্রতি তাঁর অসামান্য অবদান, মমতা ও সহযোগিতার এই নিদর্শনকে আরো স্মরনীয় করে রাখতেই জেলা প্রশাসন, নেত্রকোনার উদ্যোগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা উইমেন্স কর্ণার চালু করা হয়েছে যার প্রধান লক্ষ্য হল অসহায়, দুস্থসহ সকল মহিলাদের মায়ার পরশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।


কি কি সেবা পাবেন
যে সকল সেবাসমূহ পাওয়া যাবে
  • লক্ষ্মীপুর জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বর্ষপঞ্জি ভিত্তিক মৌলিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও তথ্য সংরক্ষণ।
  • বয়স ভিত্তিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টিগত অবস্থা নির্ণয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন ও তথ্য সংরক্ষণ।
  • প্রাথমিক অবস্থায় শিক্ষার্থীদের রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান।
  • স্বাস্থ্যগত কারণে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীহার হ্রাস করা।
  • অন্যান্য
হেলথ কার্ডের উদ্দেশ্যঃ
হেলথ কার্ডের উদ্দেশ্যঃ
  • সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরকে একটি নিদ্রিষ্ট ইউনিক আইডির আওতায় এনে স্বাস্থ্য সেবা সহজিকরণ।
  • স্বাস্থ্যসেবা প্রধানের নিমিত্তে স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় সকল প্রাথমিক প্যারামিটার নিবন্ধিত করন।
  • ভবিষ্যৎ সুস্থ জাতি গঠনের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সমস্যা নির্ণয় ও যথাযথ কতৃপক্ষের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রধান করন।
  • জেলার শিশু স্বাস্হ্য তথা সামগ্রীক স্বাস্থ্য ব্যাবস্হা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন।
  • জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করন।
সেবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
সেবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
  • এসডিজি -৩ঃ সকল বয়সী সকল মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যান নিশ্চিতকরণ।
  • আজকের শিশু আগামীতে জাতীর কর্ণধার। তাই সকল শিশুর সুস্বাস্হ্য নিশ্চিতের মাধ্যমে সফল আগামীর ভিত নির্মাণ।
  • জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিমান সংক্রান্ত নিতি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় তথ্যের উত্স।
  • জেলার শিশু স্বাস্হ্য তথা সামগ্রীক স্বাস্থ্য ব্যাবস্হা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন।
  • জেলার সামগ্রিক স্বাস্হ্য ব্যয় হ্রাস।
সেবার ধরনঃ
সেবার ধরনঃ
  • বিনামুল্যে স্কুল ছাত্র - ছাত্রীদের বিদ্যালয় ভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও তথ্য সংরক্ষণ
সেবা হতে প্রাপ্ত সম্ভাব্য ফলাফলঃ
সেবা হতে প্রাপ্ত সম্ভাব্য ফলাফলঃ
  • জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যতথ্য ভান্ডার।
  • হেলথ কার্ড হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে শিক্ষার্থীদের পর্যায়ভিত্তিক তথ্য ভান্ডার।
  • হেলথ কার্ড এর ইউনিক আইডির মাধ্যমে স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণ যা পরর্বতীতে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে সহায়ক ভুমিকা রাখবে।
  • BMI এর সঠিক তথ্য প্রধান।
  • Pandemic ও Epidemic রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।
জাতীয় পর্যায়ে এই সেবার ভূমিকাঃ
জাতীয় পর্যায়ে এই সেবার ভূমিকাঃ
  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টিমান সংক্রান্ত নিতি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় তথ্যের উত্স।
  • শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণে দিক নির্দেশনামূলক ভূমিকা পালন করবে।
  • যে কোন প্রকার মৌলিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার প্রাথমিক অবস্থায় চিহ্নিতকরণের ও সময়োপযোগী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহনের তাৎপর্য অনুধাবন।
  • জাতীয়ভাবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যয় ও জীবন মান উন্নয়ন সম্ভাবনা।
  • ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মানে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
ভাতা ও অন্যান্য সেবা সমুহ
ভাতা সমুহ
  • বয়ষ্ক ভাতা
  • বিধবা ভাতা
  • শিক্ষা ভাতা বা বৃত্তি
  • মাতৃত্বকালীন ভাতা
  • প্রতিবন্ধী ভাতা
  • অন্যান্য
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সমুহ
  • পর্যায়ক্রমে জেলার সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সঠিক স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণ ও কার্ড প্রণয়ন।
  • জেলার সকল সংস্থা ও জেলা উপজেলা পর্যায়ের অফিস সমুহের সমন্নয়ে স্বাস্থ্য পরিকল্পনা প্রণয়ন।
  • জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যর তথ্যভান্ডার তৈরি করন।
  • স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে তাদের সঠিক সেবা প্রদান।
সেবা পেতে করণীয়ঃ
  • জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট বা সাইটে গিয়ে যে কোন পর্যায়ের শিক্ষার্থী সরাসরি তাদের স্বাস্থ্য তথ্য নিবন্ধন করতে পারবে, অথবা বিদ্যালয়ের শ্রেণীশিক্ষক এর নিকট তথ্য প্রদানের মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়া।

ম্যাপ

ডিসি অফিস, লক্ষ্মীপুর